প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্স ১ম ব্যাচের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন স্টাডিজ

বিভাগের মাস্টার্স ১ম ব্যাচের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

‘ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগেও সনাতনী মুদ্রণ ও প্রকাশনা মাধ্যম হারিয়ে যাবে না বরং আরও বেশি সম্প্রসারিত হবে, এবং চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠনে’। আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্স ১ম ব্যাচের নবীন বরণ ও পরিচিতিমূলক অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।

বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. সুধাংশু শেখর রায়ের সভাপতিত্বে আর সি মজুমদার আর্টস অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এখন মুদ্রণের ধরন পাল্টে গেছে, অনেক সময় আর ফটোকপি করতে হয়না। মোবাইলে একটি স্ন্যাপ নিয়েও কাজ চলে। কিন্তু তারপরেও সনাতনী মুদ্রণ ও প্রকাশনা বিষয়ের ক্ষেত্রটি এখনও বিস্তৃত আছে, পরিসরও বাড়ছে। এ বিষয়ে অধ্যয়ন করার ও দক্ষতা অর্জনের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে’।

অনুষ্ঠানে বিভাগের নীতি নির্ধারণী কমিটির সদস্য এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আখতার সুলতানা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পড়াশুনা শেষ করে তোমরা যেখানেই যাও না কেন তোমরা ভালো মানুষ হবে এটাই আমরা প্রত্যাশা করি।

বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সুধাংশু শেখর রায় বলেন, বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলন শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির জাগরণ ঘটিয়েছিল এবং তার বাহন ছিল মুদ্রণ ও প্রকাশনা মাধ্যম। এটা আমাদের জন্য খুবই আনন্দের যে, অমর একুশের এই মাসেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন স্টাডিজ বিভাগের ১ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ হচ্ছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিভাগের যাত্রা শুরু হচ্ছে। এটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।

অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের খণ্ডকালীন শিক্ষক অধ্যাপক ড. মনজুরুল ইসলাম, বিশিষ্ট কবি ও প্রকাশনা বিশেষজ্ঞ ড. বিমল গুহ এবং প্রকাশক ও গবেষক এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির পরিচালক জনাব খান মাহবুব। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক মাহফুজুর রহমান, শিল্পী বেগম,মোহসিনা ইসলাম এবং শেখ জিনাত শারমিন। # (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)