রবীন্দ্রনাথের জন্ম-বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাবি-এ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭তম জন্ম-বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে গতকাল ৮মে ২০১৮ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রবীন্দ্র-জন্মবার্ষিকী উদ্যাপনে এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকর্মে শিলাইদহের প্রভাব’। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অনারারি অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সঙ্গীত বিভাগের চেয়ারপার্সন ড. মহসিনা আক্তার খানম (লীনা তাপসী)। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এনামউজ্জামান।
অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান তাঁর মূল প্রবন্ধে বলেন, পূর্ব বঙ্গে নাগরিক কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিল্পকর্মের ও আর্থ সামাজিক উন্নয়ন কৌশলের তীর্থকেন্দ্র ছিল শিলাইদহ। শিলাইদহে আসা ও বসবাসের মধ্য দিয়ে তাঁর সাথে পূর্ব বঙ্গের আত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। গ্রাম বাংলার অপরূপ সৌন্দর্য, জীবন ও জনপদ, গ্রামীন জীবনের দারিদ্র্য, অশিক্ষা ও সংস্কার তার সৃষ্টিকর্মে প্রভাব ফেলেছে। পাশাপাশি পদ্মা, ইছামতি, আত্রাই, গড়াই, বড়াল ও চলনবিল তীরবর্তী অঞ্চলের রূপবৈচিত্র্য রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সৃষ্টির ধারণায় নতুন। বলিষ্ঠ ও প্রাণবন্ত উৎস রূপে এই এলাকার মানুষ ও প্রকৃতি তার সৃষ্টিকে বৈচিত্রে সমৃদ্ধ করেছিল। এর প্রভাব এটতাই ছিল যে পারিবারিক জমিদারি তদারকি করতে এসেও সাধারন মানুষের জীবন বেদনার সাথে তিনি জড়িয়ে পড়েন। দয়া ও প্রেম রবীন্দ্র দর্শনের মূল পাটাতন। ‘যাকে তুমি পশ্চাতে ফেল সে তোমাকে পশ্চাতে টানিছে’ গীতাঞ্জলি থেকে চরণটি উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, সমাজের সকলের অংশগ্রহণ ছাড়া সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়, সেই কথাটিই আজ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় স্থান পেয়েছে। ২০৪১ সালে আমরা যে উন্নত দেশ হওয়ার স্বপ্ন দেখি সেই স্বপ্ন নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার এখনই সময়।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান কবিগুরুর অমর স্মৃতি ও অনবদ্য সৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, মানবকল্যাণমূলক অনেক ভাবনা কবিগুরুর আছে। যার মধ্যে রয়েছে শিক্ষা, পরিবেশ ও কৃষি ভাবনা এবং একটি সচেষ্ট সমাজ বিনির্মানের ভাবনা। একটি অর্ন্তভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের কথা যেটি আমরা আজকে ভাবছি সেটি রবীন্দ্রনাথ সেই সময়ই ভেবেছেন, তাই রবীন্দ্রনাথ সবসময়ই সমকালীন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রবীন্দ্রনাথের অনেক লেখনী দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ‘সোনার বাংলা’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন।

বক্তৃতানুষ্ঠান শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ এবং নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা মনোজ্ঞ সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন করে।
------------------

পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭তম জন্ম-বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে গতকাল ৮ মে ২০১৮ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রবীন্দ্র-জন্মবার্ষিকী উদ্যাপনে এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকর্মে শিলাইদহের প্রভাব’। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অনারারি অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান। ছবিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানকে সভাপতির বক্তব্য প্রদান করতে দেখা যাচ্ছে (ছবি: ঢাবি জনসংযোগ)

Latest News
  • বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ এ. এফ. এম. নজরুল মজিদ বেলাল-এর ইন্তেকাল

    16/05/2018

    Read more...
  • সলিমুল্লাহ মুসলিম হল প্রাধ্যক্ষ বৃত্তি-২০১৭ পেলেন ঢাবি’র ১৯ শিক্ষার্থী

    15/05/2018

    Read more...
  • 5 DU students awarded “AF Mujibur Rahman Gold Medal Award”

    15/05/2018

    Read more...
  • 4 researchers awarded Mirza Banu and Sirajul Islam Endowment Fund Award

    14/05/2018

    Read more...
  • ঢাবি-এ ‘সিনিয়র এডভোকেট ওজায়ের ফারুক মেমোরিয়াল’ বৃত্তি পেলেন নওশিন মাহবুব

    14/05/2018

    Read more...
  • “OIC-IRCICA Chair” to be set up at DU

    12/05/2018

    Read more...
  • ঢাবি ক্যাম্পাসে বড় পর্দায় বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ পর্যবেক্ষণ

    12/05/2018

    Read more...